ASHOK MARTIN MINISTRIES

কী অপূর্ব মুক্তি!

কী অপূর্ব মুক্তি!

> `“কিন্তু আমি যে জল দেব, তাহা যে কেহ পান করিবে, তাহার আর কখনও পিপাসা হইবে না; বরং আমি তাহাকে যে জল দিব, তাহা তাহার মধ্যে এমন জলের উনুই হইবে, যাহা অনন্ত জীবন পর্যন্ত উথলিয়া উঠিবে।” — যোহন ৪:১৪`

একজন শমরীয় স্ত্রীলোক প্রচণ্ড রৌদ্রের দুপুরে জল তুলতে কূপের কাছে এলেন, যখন সাধারণত কেউ কূপের কাছে আসত না। তাঁর পাপের লজ্জা ছিল, নাকি মানুষের ভয়, নাকি নিজেকে পরিবর্তন করার অসম্ভবতা—কী ছিল তার কারণ, তা আমরা জানি না। তবে তিনি দুপুর না হওয়া পর্যন্ত জল তুলতে আসতেন না। তিনি তৃষ্ণার্ত অবস্থায় অপেক্ষা করতেন, যেন এমন সময় আসে যখন আশেপাশে কেউ থাকবে না।

কিন্তু একদিন যীশু এলেন তাঁকে এমন জল দিতে, যাতে তাঁর আর কখনও পিপাসা না পায়!

সেই স্ত্রীলোকের জীবনের সমস্ত কিছু জানতেন যীশু, তবুও তিনি তাঁকে অপমান করেননি। একজন আহত মানুষের ক্ষত যেমন কোমলভাবে স্পর্শ করা হয়, তেমনই যীশু ধীরে ধীরে তাঁর জীবনের ক্ষতবিক্ষত জায়গাগুলিকে স্পর্শ করতে লাগলেন। কথোপকথন আরও গভীর হতে লাগল, তাঁর বোঝার চোখ থেকে পর্দা সরে যেতে লাগল, আর তিনি উপলব্ধি করলেন যে যীশুর কথার মধ্য দিয়েই তিনি মুক্তি পাচ্ছেন। তাঁর হৃদয় সৃষ্টিকর্তাকে চিনতে পারল, আর তাঁর অন্তরে পরিপূর্ণ জীবনের এক ঝরনা প্রবাহিত হতে লাগল।

লজ্জা, মানুষের ভয় এবং নিজেকে পরিবর্তন করার অসম্ভব বলে মনে হওয়া চিন্তা—সবকিছু কোথায় যেন হারিয়ে গেল! তিনি দুপুরবেলায় গ্রামে গিয়ে ঘোষণা করতে লাগলেন:

“আইস, এক ব্যক্তিকে দেখ, তিনি আমার সমস্ত কর্ম আমাকে বলিয়া দিয়াছেন; ইনি কি সেই খ্রীষ্ট নহেন?” — যোহন ৪:২৯

যীশু তাঁর জীবনের যে বিষয়গুলি প্রকাশ করেছিলেন, সেই একই বিষয় নিয়ে হয়তো লোকেরাও তাঁকে কথা শোনাত। কিন্তু তাদের কথায় তিনি আহত হয়েছিলেন। অথচ এমন একজনের সঙ্গে যখন তাঁর সাক্ষাৎ হল, যিনি তাঁর জীবনের সত্য প্রকাশ করলেন, তখন তাঁর ক্ষতগুলি সুস্থ হতে শুরু করল।

আমি প্রার্থনা করি, আপনিও যেন একইভাবে যীশুর কাছ থেকে এই মুক্তি ও আরোগ্য লাভ করেন!

খ্রীষ্টে আপনাদের ভাই, প্রেরিত অশোক মার্টিন

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top
Call Now Button