যদি যীশু না থাকতেন… তাহলে আমাদের কি হতো?
> `কারণ অনুগ্রহে বিশ্বাসের মাধ্যমে তোমরা পরিত্রাণ পেয়েছ; আর এটা তোমাদের নিজেদের থেকে নয়, ঈশ্বরেরই দান। তা কর্মের ফল নয়, যেন কেউ গর্ব করতে না পারে। ইফিষীয় ২:৮-৯`
যদি যীশু না থাকতেন, তাহলে আমাদের জীবন, আশা, বিশ্বাস, ক্ষমা, ঈশ্বরের সন্তান হওয়ার অধিকার, স্বর্গে স্থান এবং ঈশ্বরকে জানার সুযোগ—কিছুই থাকত না। যারা পথভ্রষ্ট, যারা ভণ্ডামি করে, যারা ধর্মের নামে গর্ব করে এবং যারা নরকের পথে চলছে, তাদের মধ্যেই আমাদেরও গণনা হতো। আমাদের জীবনে যীশু খ্রীষ্টের উপস্থিতি আমাদের কোনো সৎকর্মের ফল নয়, বরং ঈশ্বরের ইচ্ছা ও তাঁর অনুগ্রহের ফল।
এই বিষয়টি বোঝা অত্যন্ত প্রয়োজন, যেন আমরা যীশুর অনুগ্রহকে হালকাভাবে না নিই। কারণ যারা অসতর্কভাবে তাঁর বিনামূল্যের অনুগ্রহকে ব্যর্থ হতে দেয়, ঈশ্বর তাদের বিচার করবেন।
লূক ১৩:৬-৯ পদে একটি ডুমুর গাছের কথা বলা হয়েছে। সেই গাছের মালিক তিন বছর ধরে এসে তাতে ফল খুঁজেছিলেন, কিন্তু কোনো ফল পাননি। একদিন তিনি বললেন, “এটিকে কেটে ফেলো। এটি কেন জমি অনর্থক জুড়ে থাকবে?” কিন্তু মালী বলল, “প্রভু, এই বছরও এটিকে থাকতে দিন। যদি আগামী বছর ফল না ধরে, তবে কেটে ফেলবেন।”
হয়তো সেই ডুমুর গাছটি আপনিই ছিলেন, তার মালিক ছিলেন ঈশ্বর, আর যিনি আপনাকে কেটে ফেলার হাত থেকে রক্ষা করার জন্য অনুরোধ করেছিলেন, তিনি হলেন যীশু খ্রীষ্ট।
আপনি যদি পরিত্রাণ পেয়ে থাকেন, তবে ফল উৎপন্ন করুন। আপনার পরিত্রাণকে অসতর্কতার বেদিতে বলি হতে দেবেন না।
খ্রীষ্টে আপনাদের ভাই, প্রেরিত অশোক মার্টিন