
বিশ্বাস যখন পরীক্ষিত হবে, তখন তা পরিশুদ্ধ হবে
> “এই জন্য তোমরা আনন্দ করিতেছ, যদিও এখন কিছুদিনের জন্য নানাবিধ পরীক্ষার দ্বারা দুঃখভোগ করিতে হইতেছে।” — ১ পিতর ১:৬
সত্যিকারের বিশ্বাস স্বাচ্ছন্দ্যের মধ্যে নয়, বরং সংগ্রামের মধ্যেই প্রমাণিত হয়।
উৎপত্তি ১৩–১৬ অধ্যায়ে আব্রামের যাত্রা আমাদের শেখায় যে *যখন দৃষ্টি ব্যর্থ হয়, তখন বিশ্বাস পরিপক্ক হয়।* লট যখন যর্দনের সবুজ ভূমি বেছে নিল, তখন আব্রাম সেই প্রতিজ্ঞার উপর ভরসা করল যা তখনও দেখা যায়নি। ঈশ্বরের চুক্তি সেই ব্যক্তির সঙ্গে হয়েছিল, যে *দৃষ্টিতে নয়, বিশ্বাসে* চলেছিল।
যখন ভয় আব্রামের বিশ্বাসকে পরীক্ষা করল এবং হাজরা মরুভূমিতে পালিয়ে গেল, তখন ঈশ্বর নিজেকে *এল-রই — “যিনি আমাকে দেখেন”* (উৎপত্তি ১৬:১৩) নামে প্রকাশ করলেন। ঈশ্বরের দৃষ্টি কখনও তাদের প্রতি অন্ধ নয় যারা বিশ্বাস করে, যদিও তারা মনে করে যে তারা ভুলে গেছে।
গীতসংহিতা ৪-এ গীতিকার গায়: *“আমি শান্তিতে শয়ন করিব ও ঘুমাইব, কারণ হে প্রভু, কেবল তুমি আমায় নিরাপদে বসবাস করাও।”*
বিশ্বাস তখনও শান্তিতে ঘুমায় যখন পৃথিবী অনিশ্চয়তায় কাঁপে।
*বাক্য দেহধারী হলেন* এবং তিনি জলকে মদে পরিণত করলেন — এটি এই সত্যের প্রতীক যে ঐশ্বরিক জীবন সাধারণকেও মহিমান্বিত করে তোলে। যিনি আব্রাম ও সারার বন্ধ্যাত্বের সময়কে আশীর্বাদে পরিণত করেছিলেন, তিনিই তোমার প্রতীক্ষার সময়কেও আশ্চর্য কর্মে পরিণত করবেন।
আব্রাহাম *ঈশ্বরের প্রতি বিশ্বাস করলেন,* এবং তা তাঁর কাছে ধার্মিকতা গণ্য হল।
সত্যিকারের বিশ্বাস প্রমাণের জন্য অপেক্ষা করে না — এটি ঈশ্বরের বাক্যকেই চূড়ান্ত প্রমাণ মনে করে।
খ্রিস্টে তোমার ভাই,
প্রেরিত আশোক মার্টিন ✝️